নওগাঁ জেলার এগারোটি থানার ইতিহাস

 বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের একটি বিখ্যাত জেলা হলো নওগাঁ। এই নওগাঁ জেলার রয়েছে মোট ১১ টি থানা। এই ১১ টি থানারই রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস। তাই আজকে আমরা জানবো, নওগাঁ জেলার এগারোটি থানার ইতিহাস সম্পর্কে।

নওগাঁ-জেলার-এগারোটি-থানার-ইতিহাস

নওগাঁ ১৮১০ সালে জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। নওগাঁ জেলার রয়েছে সু বিশাল ও সমৃদ্ধ ইতিহাস। এটি মূলত ১১ টি থানা নিয়ে গঠিত বিশাল এক জেলা। তাই আজকের ব্লগে আপনাদের সাথে আলোচনা করব নওগাঁ জেলার এগারটি থানার ইতিহাস সম্পর্কে।

পোষ্ট সূচিপত্রঃ নওগাঁ জেলার এগারোটি থানার ইতিহাস


নওগাঁ সদরের ইতিহাস

নওগাঁ সদর থানা ১৯৮৪ সালে ১ মার্চ গঠন করা হয়। দুবলহাটি রাজবাড়ী, বলিহার রাজবাড়ী ও শোলগাছি রাজবাড়ী দেখলেই বুঝা যায় নওগাঁ থানা কতটা পুরাতন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় নওগাঁ ছিল ৭ নম্বর উইংয়ের সদর দপ্তর। বর্তমানে নওগাঁ থানায় মোট ১২ টি ইউনিয়ন রয়েছে এগুলো হলো:


  • বর্ষাইল ইউনিয়ন
  • বক্তারপুর ইউনিয়ন
  • হাপানিয়া ইউনিয়ন
  • বোয়ালিয়া ইউনিয়ন
  • চন্ডিপুর ইউনিয়ন
  • শিকারপুর ইউনিয়ন
  • কীর্তিপুর ইউনিয়ন
  • তিলেকপুর ইউনিয়ন
  • দুবলহাটি ইউনিয়ন
  • হাঁসাইগাড়ি ইউনিয়ন
  • বলিহার ইউনিয়ন
  • শৈলগাছি ইউনিয়ন
তাছাড়া এই বারটি ইউনিয়নের আন্ডারে ২১৪ একটি গ্রাম রয়েছে। যেই গ্রামগুলোর ইতিহাস ও ঐতিহ্য সুপ্রাচীন। নওগাঁ থানা মোটামুটি অনেক বড়। নওগাঁ থানায় বেশ কিছু ঐতিহাসিক স্থাপনা রয়েছে। যেগুলো নওগাঁ থানার ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে আরো সমৃদ্ধ করে তুলেছে।

নিয়ামতপুর থানার ইতিহাস

নওগাঁ জেলার এগারোটি থানার ইতিহাস জানার জন্য আমাদের জানতে হবে, নিয়ামতপুর উপজেলা অর্থাৎ নিয়ামতপুর থানার ইতিহাস। নিয়ামতপুর থানা ১৯১৮ সালে গঠন করা হয়েছিল। পরে ১৯৮৩ সালে এটিকে উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়। নিয়ামতপুর থানায় মোট ৮ টি ইউনিয়ন রয়েছে সেগুলো হলো: 
  • হাজিনগর ইউনিয়ন 
  • চন্দননগর ইউনিয়ন 
  • ভাবিচা ইউনিয়ন 
  • নিয়ামতপুর ইউনিয়ন 
  • রসুলপুর ইউনিয়ন 
  • পাড়ইল ইউনিয়ন 
  • শ্রীমন্তপুর ইউনিয়ন 
  • বাহাদুরপুর ইউনিয়ন
তাছাড়া এই আটটি ইউনিয়নের আন্ডারে ৩৪৪টি গ্রাম রয়েছে। তাই সহজে বুঝতে পারছেন কতটা বিশাল নিয়ামতপুর উপজেলা। নিয়ামতপুর উপজেলায় রয়েছে বেশ কিছু ঐতিহাসিক স্থাপনা যেগুলো এই উপজেলাটির ইতিহাস ও ঐতিহ্য আরো সমৃদ্ধ করে তুলেছে।

আত্রাই থানার ইতিহাস

নওগাঁ জেলার এগারোটি থানার ইতিহাস জানতে গেলে অবশ্যই আত্রাই থানা সম্পর্কেও জানতে হবে। কারণ আত্রাই থানা হলো নওগাঁ জেলার একটি উপজেলা। আত্রাই থানা ১৯১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ১ আগস্ট ১৯ ৮৩ সালে এটি উপজেলা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। আত্রাই নদী ও বিভিন্ন খাল বিল আত্রাই উপজেলায় সৌন্দর্য বর্ধিত করেছে। নওগাঁ জেলার আত্রাই থানায় মোট আটটি ইউনিয়ন রয়েছে সেগুলো হলো 
  • শাহাগোলা ইউনিয়ন 
  • ভোঁপাড়া ইউনিয়ন 
  • আহসানগঞ্জ ইউনিয়ন
  • পাঁচুপুর ইউনিয়ন 
  • বিশা ইউনিয়ন 
  • মনিয়ারী ইউনিয়ন 
  • কালিকাপুর ইউনিয়ন 
  • হাটকালুপাড়া ইউনিয়ন 
আত্রাই থানার মোট আটটি ইউনিয়ন থাকলেও কতটি গ্রাম আছে তা সঠিকভাবে এখনো হিসাব করা হয়নি। এর হিসাব নির্দিষ্ট নেই বলে, আমার গ্রাম প্ল্যাটফর্মে এর হিসাব শূন্য দেখানো হয়েছে। তবে আত্রাই থানা আকারে বিশাল বড়। কিছু ঐতিহাসিক স্থাপত্য এই উপজেলার সৌন্দর্য বর্ধিত করেছে এবং এর ঐতিহ্য আরো গারো করেছে।

বদলগাছি থানার ইতিহাস

নওগাঁ জেলার আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলার নাম হলো বদলগাছি। বদলগাছি ১৮০৭ সালে থানা হিসেবে গঠিত করা হয়। পরবর্তীতে এটি নওগাঁর একটি উপজেলার মর্যাদা পায়। বদলগাছির গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান গুলোর মধ্যে রয়েছে পালাহার রাজবাড়ী ও আরো কিছু ঐতিহাসিক স্থাপত্য শৈলী। এখানে পালাহারদের জমিদারির ইতিহাস রয়েছে। বদলগাছি থানায় মোট আটটি ইউনিয়ন রয়েছে সেগুলো হলো: 


  • বদলগাছি ইউনিয়ন 
  • মথুরাপুর ইউনিয়ন 
  • পাহাড়পুর ইউনিয়ন 
  • মিঠাপুর ইউনিয়ন 
  • কোলা ইউনিয়ন 
  • বিলাশবাড়ি ইউনিয়ন
  • আধাইপুর ইউনিয়ন 
  • বালুভরা ইউনিয়ন 
বদলগাছি থানায় আটটি ইউনিয়নের আন্ডারে ২৩৭টি গ্রাম রয়েছে। প্রতিটি গ্রামের রয়েছে আলাদা ঐতিহ্য ও ইতিহাস। এই বদলগাছি নওগাঁ জেলার খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপজেলা। বিভিন্ন স্থাপত্য শৈলী ও পুরাতন জমিদার বাড়ির জন্য বদলগাছি থানা বেশ পরিচিত। 

পত্নীতলা থানার ইতিহাস

নওগাঁ জেলার এগারোটি থানার ইতিহাস জানতে গেলে পত্নীতলা থানার ইতিহাস জানতে হবে। কারণ পত্নীতলা নওগাঁ জেলার একটি থানা। পত্নীতলা ১৮০৭ সালে থানায় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯৮৩ সালে এটিকে নওগাঁর একটি জেলা হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়। পত্নীতলা থানা নওগাঁ জেলার একটি প্রশাসনিক ইউনিট। পত্নীতলা থানায় মোট ১১টি ইউনিয়ন রয়েছে সেগুলো হলো:
  • পত্নীতলা ইউনিয়ন 
  • নিরমইল ইউনিয়ন 
  • দিবর ইউনিয়ন
  • আকবরপুর ইউনিয়ন 
  • মাটিন্দর ইউনিয়ন 
  • কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন 
  • পাটিচরা ইউনিয়ন
  • নজিপুর ইউনিয়ন 
  • ঘোষনগর ইউনিয়ন 
  • আমাইড়া ইউনিয়ন 
  • শিহাড়া ইউনিয়ন 
এই ১১টি ইউনিয়নের আন্ডারে ২৯৭ টি গ্রাম রয়েছে। এই গ্রামগুলোর রয়েছে নিজস্ব ইতিহাস ও ঐতিহ্য। পত্নীতলা থানা নওগাঁ জেলার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই থানা অনেক পুরাতন এবং এর রয়েছে সুবিশাল এক সমৃদ্ধ ইতিহাস। পত্নীতলা থানায় ভ্রমণ করার মত ভালো ভালো দর্শনীয় স্থান রয়েছে। এক সময় নামকরা বড় বড় জমিদারেরা পত্নীতলা থানাকে শাসন করেছে।

ধামইরহাট থানার ইতিহাস

নওগাঁ জেলার এগারোটি থানার ইতিহাস জানতে হলে ধামইরহাট থানার ইতিহাস জানতে হবে। কারণ ধামইরহাট উপজেলা হলো নওগাঁ জেলার একটি অবিচ্ছেদ্য থানা। ১৯২২ সালে ধামইরহাট থানা হিসেবে গঠিত হয়। পরবর্তীতে ১ মার্চ ১৯৮৪ সালে এটিকে উপজেলা রূপান্তরিত করা হয়। ধামইরহাট থানার রয়েছে সু প্রাচীন ইতিহাস ঐতিহ্য। ধামইরহাট থানায় মোট আটটি ইউনিয়ন রয়েছে সেগুলো হলো: 
  • অগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়ন
  • ধামইরহাট ইউনিয়ন 
  • আলমপুর ইউনিয়ন 
  • উমার ইউনিয়ন 
  • আড়ানগর ইউনিয়ন 
  • জাহানপুর ইউনিয়ন 
  • ইসবপুর ইউনিয়ন 
  • খেলনা ইউনিয়ন 
ধামইরহাট থানার এই আটটি ইউনিয়নের আন্ডারে ২৪৫ টি গ্রাম রয়েছে। এই গ্রামগুলোর রয়েছে নিজস্ব ঐতিহ্য সংস্কৃতি ও জীবনধারণের কৌশল। নওগাঁর এই উপজেলাটিতে ভ্রমণ করার জন্য রয়েছে বিশেষ বিশেষ কয়েকটি দর্শনীয় স্থান। সেগুলোর রয়েছে আবার বিশাল সমৃদ্ধ ইতিহাস। তাই ধামইরহাট থানা সম্পর্কে জানতে আমাদের এই থানায় থাকা দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে আসা উচিত। 

মহাদেবপুর থানার ইতিহাস

মহাদেবপুর উপজেলা নওগাঁর একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। মহাদেবপুর ১৮৯৮ সালে থানা হিসেবে গঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৩ সালে এটিকে উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়। তার আগে ব্রিটিশ সময়ে এটি নওগাঁর মহকুমা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে পরবর্তীতে এর গুরুত্ব বুঝতে পেরে এবং শাসন করার সুবিধার্থে উপজেলা হিসেবে স্বীকৃত করা হয়। মহাদেবপুর থানায় মোট ১০ টি ইউনিয়ন রয়েছে সেগুলো হলো:
  • মহাদেবপুর ইউনিয়ন 
  • হাতুড় ইউনিয়ন 
  • খাজুর ইউনিয়ন 
  • চান্দাশ ইউনিয়ন
  • রাইগা ইউনিয়ন 
  • এনায়েতপুর ইউনিয়ন 
  • সফাপুর ইউনিয়ন 
  • উত্তরগ্রাম ইউনিয়ন 
  • চেরাগপুর ইউনিয়ন 
  • ভীমপুর ইউনিয়ন 
এ দশটি ইউনিয়নের আন্ডারে আবার ৩০০ টি গ্রাম রয়েছে। এই হিসাব দেখে বুঝতেই পারছেন, মহাদেবপুর নওগাঁ জেলার মোটামুটি বড় একটি উপজেলা। এই উপজেলার রয়েছে নিজস্ব ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। মহাদেবপুর উপজেলায় অনেক প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। যেগুলো দেশের প্রতিটি মানুষের একবার হলেও ঘুরে দেখা উচিত। 

মান্দা থানার ইতিহাস

মান্দা থানা নওগাঁ জেলার একটি পুরাতন প্রশাসনিক ইউনিট। নওগাঁ জেলার এগারোটি থানার ইতিহাস লিখতে গেলে মান্দা থানার নাম বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হবে। কারণ এই থানার রয়েছে আলাদা ইতিহাস ও ঐতিহ্য। ব্রিটিশ সরকার ১৮৪৩ সালে মান্দাকে নওগাঁর একটি থানা হিসেবে গঠিত করে। পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে এটিকে উপজেলার মর্যাদা দেওয়া হয়। মান্দা থানায় মোট ১৪ টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে সেগুলো হলো:
নওগাঁ-জেলার-এগারোটি-থানার-ইতিহাস

  • ভারশো ইউনিয়ন 
  • ভালাইন ইউনিয়ন 
  • পরানপুর ইউনিয়ন 
  • মান্দা ইউনিয়ন 
  • গণেশপুর ইউনিয়ন 
  • মৈনম ইউনিয়ন 
  • প্রসাদপুর ইউনিয়ন 
  • কুসুম্বা ইউনিয়ন 
  • তেতুলিয়া ইউনিয়ন 
  • নুরুল্লাবাদ ইউনিয়ন 
  • কালিকাপুর ইউনিয়ন 
  • কাশোপাড়া ইউনিয়ন 
  • কশব ইউনিয়ন 
  • বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন 
মান্দা থানার এই ১৪ টি ইউনিয়নের আন্ডারে ২৮৬টি গ্রাম রয়েছে। এই গ্রামগুলোর রয়েছে নিজস্ব ইতিহাস ঐতিহ্য। নিজেদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানা খুবই জরুরী। এই মান্দা জেলা একসময় শাসন করেছে বড় বড় বাড়ভূইয়া ও রাজারা। যার কারণে এখানে প্রচুর পরিমাণে প্রাসাদ ও ইতিহাসের সাক্ষী জিনিসপত্র রয়েছে।

রাণীনগর থানার ইতিহাস

নওগাঁ জেলার এগারোটি থানার ইতিহাস জানার জন্য রাণীনগর থানার ইতিহাস জানতে হবে। কারণটা রানীনগর থানা হলো নওগাঁ জেলার একটি উপজেলা। রানীনগর থানা ১৯১৬ সালে আত্মপ্রকাশ করে এবং ১৯৮৩ সালে এটিকে উপজেলার সম্মান প্রদান করা হয়। রানীনগর নওগাঁ জেলার খুব প্রাচীন একটি উপজেলা। রানীনগর থানায় মোট আটটি ইউনিয়ন রয়েছে সেগুলো হলো:
  • খটেশ্বর ইউনিয়ন 
  • কাশিমপুর ইউনিয়ন 
  • গোনা ইউনিয়ন 
  • পারইল ইউনিয়ন 
  • বড়গাছা ইউনিয়ন 
  • কালিগ্রাম ইউনিয়ন
  • একডালা ইউনিয়ন 
  • মিরাট ইউনিয়ন 
রানীনগরের এই আটটি ইউনিয়ন পরিষদের আন্ডারে ১৭৮ টি গ্রাম রয়েছে। তাই বুঝা যাচ্ছে রানীনগরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য বেশ সমৃদ্ধ। রাণীনগর বেশ কয়েকটি স্থাপত্য শৈলী রয়েছে যেগুলো মুঘল আমলে তৈরি করা। রানীনগর ভ্রমণের জন্য বেশ ভালো একটি জায়গা। আমরা যারা নওগাঁর বাসিন্দা, তারা চাইলে রানীনগর থেকে ঘুরে আসতে পারি।

পোরশা থানার ইতিহাস

নওগাঁ জেলার প্রাচীনতম এক উপজেলার নাম পোরশা। পোরশা থানা ১৯৩৩ সালে গঠন করা হয়। ১৯৮৪ সালে এটি উপজেলায় রূপান্তরিত হয়। পোরশা থানায় মোট ছয়টি ইউনিয়ন রয়েছে সেগুলো হলো:
  • নিতপুর ইউনিয়ন 
  • তেতুলিয়া ইউনিয়ন 
  • ছাওর ইউনিয়ন 
  • গাংগুরিয়া ইউনিয়ন 
  • ঘাটনগর ইউনিয়ন 
  • মশিদপুর ইউনিয়ন 
পোরশা উপজেলায় মোট ২৫৩টি গ্রাম রয়েছে। এটি নওগাঁ জেলার মোটামুটি প্রাচীনতম একটি উপজেলা। এই উপজেলা রয়েছে নিজস্ব ইতিহাস সংস্কৃতি ও সাহিত্য। এই উপজেলায় দর্শনীয় স্থান হিসেবে উল্লেখ করা যায় প্রাচীনতম কিছু মসজিদ ও রাজপ্রাসাদ।

সাপাহার থানার ইতিহাস 

সাপাহার নওগাঁ জেলার গুরুত্বপূর্ণ একটি উপজেলা। তাই নওগাঁ জেলার প্রত্যেকটি থানার ইতিহাস সম্পর্কে জানতে গেলে অবশ্যই সাপাহারকে তালিকায় রাখতে হবে। সাপাহার ১৯৭৯ সালে থানা হিসেবে গঠিত হয়। ১৯৮৫ সালে এটিকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়। সাপাহার থানায় মোট ছয়টি ইউনিয়ন রয়েছে সেগুলো হলো:


  • সাপাহার ইউনিয়ন 
  • তিলনা ইউনিয়ন
  • গোয়ালা ইউনিয়ন 
  • আইহাই ইউনিয়ন 
  • পাতাড়ী ইউনিয়ন 
  • শিরন্টি ইউনিয়ন 
এই ছয়টি ইউনিয়নের আন্ডারে ২৩২টি গ্রাম রয়েছে। যেগুলো সাপাহার থানার অবিচ্ছেদ্য অংশ। সাপাহার অঞ্চলটার নিজস্ব ইতিহাস ও ঐতিহ্য রয়েছে। প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ এই অঞ্চলটি। বাংলাদেশের অনেক পর্যটক সাপাহার থানায় ভ্রমণ করতে যায় শুধু এই থানার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য। 

উপরে নওগাঁ জেলার এগারোটি থানার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানানো হলো। আশা করি আমরা যারা নওগাঁ জেলার মানুষ তারা এই ব্লকটি করে উপকৃত হয়েছি।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

জোবায়ের ব্লগের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়

comment url

Md.Jobayer Hossain
Md.Jobayer Hossain
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট যিনি নিয়মিত ব্লগ আপলোডের মাধ্যমে মানুষকে অনলাইন ইনকাম, লাইফ স্টাইল ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা দিয়ে থাকে। এতে করে লোকেরা নতুন নতুন আইডিয়া, অনলাইন ক্যারিয়ার গাইড লাইন ও আধুনিক জীবনের নানা টিপস জানতে পারে।